মে ১২, ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
মিরপুর টেস্টে নাহিদ রানার পেস আক্রমণে পাকিস্তানকে পাত্তাই দিল না বাংলাদেশ। সফরকারীদের ১৬৩ রানে অলআউট করে ১০৪ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল হাসান শান্তর দল।জয়ের জন্য ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় পাকিস্তান।
তাসকিন আহমেদের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ইমাম-উল হক। ৫ বলে মাত্র ২ রান করেন তিনি। আরেক ওপেনার আজান আওয়াইস ১৫ রান ও অধিনায়ক শান মাসুদ ২ রান করে বিদায় নিলে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।
৬৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৫১ রানের জুটিটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ১১৩ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ৬৬ রান করা ফজলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। পরের ওভারেই ২৬ রান করা সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।
৫ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌধ শাকিল। তবে নাহিদ রানার গতির কাছে তারা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রানা নিজের করা টানা দুই ওভারে শাকিল ও রিজওয়ানকে সাজঘরে পাঠান। এই দুই ব্যাটারই ব্যক্তিগত ১৫ রান করে আউট হন। এরপর হাসান আলিকে ফিরিয়ে জয়ের পথ সুগম করেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল ও মুশফিকের ফিফটিতে ৪১৩ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান তোলে ৩৮৬ রান। ২৮ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৭ এবং মুমিনুল হকের ৫৬ রানের ওপর ভর করে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান। পাকিস্তানের পক্ষে হাসান আলি ও নোমান আলি ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় টেস্ট জয়। এর আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের এই জয়ের মধ্য দিয়ে আবারও সাদা পোশাকে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল শান্তবাহিনী। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে জয়ের ধারা বজায় রাখতে মরিয়া টাইগাররা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন