মে ১৩, ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
চলতি মাসের শেষ দিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এই সময় দেশের আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (১৩ মে) অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় ভাগে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, ১৫ মে’র পর বঙ্গোপসাগরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি মে মাসজুড়ে দেশজুড়ে তীব্র কালবৈশাখী, বজ্রঝড় ও তাপপ্রবাহের আশঙ্কাও রয়েছে।
চলতি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচ থেকে আট দিন কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখীর কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর। কোনো কোনো স্থানে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। ঢাকার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মে মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
বিভাগওয়ারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার এবং ময়মনসিংহে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে তুলনামূলক কম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমান বৃষ্টিপাত ও মাটির আর্দ্রতা দেশের কৃষিকাজের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর সম্ভাবনা থাকায় ঈদযাত্রায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন