সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
শরতের শেষভাগে নদীপাড়ের সাদা কাশফুলের শুভ্রতা আর ভোরের হালকা কুয়াশার চাদর মিলেমিশে প্রকৃতিতে জানান দিচ্ছে শীতের আগাম পদধ্বনি। ভোরের মিষ্টি রোদের আভা যখন নদীর শান্ত জলে ছড়িয়ে পড়ে, তখন নদীর কূল ঘেঁষে ফোটা কাশফুলের দল মৃদু বাতাসে দুলতে থাকে। গ্রামবাংলার নদীবিধৌত জনপদে হেমন্তের এই রূপ প্রতি বছরই ঋতুবদলের এক শান্ত ও মনোরম পরিবেশ তৈরি করে।
প্রকৃতির এই রূপবদল চোখে এনে দেয় প্রশান্তি। কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে সূর্যোদয়ের রক্তিম আভা যখন নদীতীরে এসে পড়ে, তখন কাশফুলের নরম পাপড়িতে জমা শিশিরবিন্দু চকচক করে ওঠে। ঋতুর এই সন্ধিক্ষণে রাতে ও খুব ভোরে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হতে শুরু করেছে। নদীতীরের নির্জন গাছপালা আর জলের বুকে ভেসে থাকা হালকা কুয়াশা সাধারণ পথচারী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
জলবায়ুর এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে বাংলার জনপদে পুরোপুরি শীতের আবহ ডেকে আনছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন