অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১২:২৩ পিএম
দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘মোন্থা’।ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি বাংলাদেশ উপকূল থেকে বেশ দূরে রয়েছে। সোমবার সকালে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এর অবস্থান ছিল।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’-এর কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘণীভূত হয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এটির বর্তমান গতিপথ বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার সন্ধ্যা অথবা রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেতের অর্থ হলো, বন্দরে ঝড়ের আশঙ্কা কম থাকলেও গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে গভীর সাগরে বিচরণকারী নৌযানগুলো বিপদে পড়তে পারে। কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদেরকে কোনো অবস্থাতেই গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন