শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কাশফুলের শুভ্রতায় প্রকৃতিজুড়ে ফুটেছে শরতের রূপ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১১:২১ এএম

কাশফুলের শুভ্রতায় প্রকৃতিজুড়ে ফুটেছে শরতের রূপ

নদীর পাড়, চর আর খোলা প্রান্তরে ফুটে থাকা কাশফুলের শুভ্রতায় প্রকৃতিতে নেমে এসেছে শরৎ।

বর্ষার বিদায়ে নীল আকাশ আর সাদা কাশের দোলা দেখতে বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে ভিড় জমাচ্ছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। নদীর তীর, চরাঞ্চল, জলাভূমির কিনারা কিংবা শহরের উপকণ্ঠের খোলা প্রান্তরে এখন ছোট-বড় ঝোপ ও বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কাশফুলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। বিকেলের নরম আলোয় এই শুভ্রতা আরও প্রস্ফুটিত হয়। পরিবার, বন্ধু কিংবা একাকী সময় কাটাতে দর্শনার্থীরা সেখানে যাচ্ছেন। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, কেউ হাঁটছেন নদীর ধারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে কাশবনে কাটানো এসব মুহূর্তের দৃশ্য।

নদীর জল, নৌকা, চরের কাশবন আর নীল আকাশের মিশ্রণ গ্রামবাংলার আবহমান রূপকে সামনে এনে দেয়। জেলেদের জাল ফেলা, মাঝির নৌকা চালানো কিংবা তীরের কাশফুলের দোলনে জীবনানন্দের কবিতার চিরচেনা প্রকৃতি খুঁজে পান ভ্রমণপিপাসুরা।

প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে এই উদ্ভিদের। আলাদা পরিচর্যা বা বাগান তৈরি ছাড়াই নদীর চর, অনাবাদি জমি বা জলাভূমির পাড়ে বর্ষার জল নেমে গেলে স্বাভাবিক নিয়মেই কাশ জন্ম নেয়।

কিন্তু নগরায়ণ, অবকাঠামো নির্মাণ ও অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহারের কারণে নদী তীর ও খোলা প্রান্তর সংকুচিত হচ্ছে। ফলে অনেক এলাকায় কাশবনের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে নদী তীর, চর ও খোলা জলাভূমি রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে কাশফুল ঝরে গেলেও প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় থাকলে প্রতিবছরই কাশবন তার নিজস্ব রূপে ফিরে আসে।