ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ০৫:৫৫ পিএম
অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শের ফলে টাঙ্গাইল জেলায় এ বছর রোপা আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে এবং অর্জিত হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা। ফলন ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। ইতোমধ্যে জেলার প্রায় ৬৩ শতাংশ জমির ধান কেটে কৃষকরা ঘরে তুলেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশেক পারভেজ জানান, সরকারি প্রণোদনা ও কৃষকদের উচ্চফলনশীল জাতের বীজ দেওয়ায় এ বছর ১ লাখ ২ হাজার হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮৩ হেক্টরে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে।
ফলন বৃদ্ধি: কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে বিঘা প্রতি তারা ১৪-১৬ মণ হারে ধান ঘরে তুলতেন। এ বছর তা বেড়ে ১৮-২০ মণ হারে ধান পাচ্ছেন।
যন্ত্রের ব্যবহার: ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে আধুনিক যন্ত্র (কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন) ব্যবহার করে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ভালো খড় পেতে প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ কৃষক হাতে ধান কেটে মাড়াই করছেন।ক্ষয়ক্ষতি: কৃষক আব্দুর জব্বার জানান, ফলন ভালো হলেও সে সময়ে ঝড় বৃষ্টি হওয়ায় তাদের ধানে কিছু ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
কৃষকরা জানিয়েছেন, বাজারে ধানের দাম বেশি পেলে তারা এই মৌসুমে লাভের মুখ দেখবেন।উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশেক পারভেজ জানান, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ, আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষে প্রশক্ষিণসহ প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ এবং বীজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার ফলেই এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে রোপা আমন। তিনি আশা করছেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ ধান কাটা শেষ হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন