রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রাজশাহীতে সার সিন্ডিকেট: ৩০০-৮০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি,

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ০৬:৪১ পিএম

রাজশাহীতে সার সিন্ডিকেট: ৩০০-৮০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি,

রাজশাহীতে শীতকালীন সবজি চাষে সময়মতো সার না পাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষীরা, যেখানে শত শত আলুর বীজের বস্তা মাঠে পড়ে আছে এবং সার সংকটের কারণে কৃষক জমিতে বীজ বপন করতে পারছেন না|

 একই অবস্থা অন্যান্য ফসলের ক্ষেত্রেও বিরাজ করছে। কৃষকদের অভিযোগ, গোডাউনে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও সরকারের বেঁধে দেয়া দামে সার দিতে গড়িমশি করছেন ডিলাররা এবং তারা সিন্ডিকেট করে |

 

সাবডিলারের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করে দিচ্ছেন, যার ফলে সাবডিলাররা সব প্রকার সারের ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় সরকারের দামের চেয়ে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম নিচ্ছেন।

কৃষকদের দাবি, ডিলারের ঘরে সার পাওয়া যাচ্ছে না এবং তারা বলছেন সার নেই, অথচ যারা আত্মীয়স্বজন বা দামি দামি ভালো লোক তাদের কাছে মোবাইলে রাতে রাতে সার চলে যাচ্ছে; এমতাবস্থায় আলু লাগানোর সময় চলে যাচ্ছে এবং কৃষকদের দ্বিগুণ দামে সার কিনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন যে ডিএপি ১২০০ টাকা, ফসফেট ১৯০০ টাকা এবং অন্য কোথাও ডিএপি ১৮০০ টাকা বস্তা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এই অভিযোগের বিষয়ে ডিলারদের কেউ কেউ অভিযোগ অস্বীকার করলেও অনেকে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি, তবে কেউ কেউ দাবি করেন যে তারা প্রত্যেককে হিসেব করে সার দিচ্ছেন এবং এতে কারো অস্বীকার করার কিছু নেই।

এদিকে জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে এই মৌসুমে রাজশাহী জেলাতে সারের কোনো ধরনের সংকট নেই এবং সারটা যাতে সঠিক দামে কৃষকের মাঝে বিতরণ করা যায়, সে বিষয়ে মনিটরিং জোরদারভাবে করা হচ্ছে; তিনি আরও জানান, কৃষকদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নেয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যদিও জেলা পর্যায়ে এখনো এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলার মোট ২২০ জন ডিলারকে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং দুইটি গোদামের মধ্যে বাফার গোদামে ইউরিয়া সার মজুদ আছে ৯ হাজার মেট্রিক টন, আর বিএডিসির গোদামে টিএসপি আছে ২১৭ মেট্রিক টন, ডিএপি আছে ১ হাজার ৪৬৫ মেট্রিক টন এবং এমওপি মজুদ আছে ৩ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন।