অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৭:১১ পিএম
বরেন্দ্র অঞ্চলে আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও সরিষা চাষের ভরা মৌসুম শুরু হলেও প্রয়োজনীয় সার কিনতে গিয়ে তীব্র বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, ডিলাররা সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন এবং বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করছেন।
কৃষকরা জানান, সরকারিভাবে ডিএপি সারের নির্ধারিত মূল্য ৭৫০ টাকা হলেও তা ১৩৬০ থেকে ১৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে এবং এমওপি সারের দাম ১০০০ টাকার বদলে ১৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এমনকি রাতের আঁধারে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। একাধিক কৃষক অভিযোগ করেন, সারের গোডাউনে গেলেও সার পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ ডিলারদের একাধিক গোডাউন থাকা সত্ত্বেও তারা সার বিক্রি করছেন না।
এছাড়া, কৃষকের নামে ভুয়া রশিদ দেখিয়ে সরকারি নথি ঠিক রাখার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। যদিও সার ব্যবসায়ী সমিতি এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, যতক্ষণ সার থাকবে ততক্ষণ তারা সরকারি রেটেই বিক্রি করবেন। অন্যদিকে, স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি, এবং কোনো সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ। উল্লেখ্য, জেলায় সার সরবরাহের জন্য বিএডিসি ও বিসিআইসির মোট ৩৩৪ জন ডিলার রয়েছেন এবং চলতি মৌসুমে ৬৪ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা এবং ৩১ হাজার হেক্টর জমিতে আলু ও পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার জন্য গত তিন মাসে ৪ হাজার মেট্রিক টন সার উত্তোলন করা হয়েছে



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন