অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ০৭:৪৭ পিএম
ফরিদপুরে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে, কৃষকরা জমি তৈরি, চারা রোপণ এবং সার প্রয়োগে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছর পেঁয়াজের ভালো দর পাওয়ায় এ বছর আরও বেশি সংখ্যক চাষি এই পেঁয়াজ আবাদে ঝুঁকেছেন, যা শীত মৌসুমে দেশের পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে সার ও কীটনাশকের তীব্র সংকট এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে, যা তাদের লাভের আশাকে শঙ্কায় পরিণত করেছে।
কৃষকরা জানান, তারা পেঁয়াজ রোপণ ও সেচ কাজে ব্যস্ত থাকলেও সারের দাম নিয়ে চরম বিপাকে আছেন, উদাহরণস্বরূপ ১১০০ টাকার সারের বস্তা এখন ১৫০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি অবিলম্বে সার ও কীটনাশকের দাম কমানো না হয়, তবে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
গত বছর লাভ হওয়ায় অনেক কৃষক এবছর আবাদের পরিমাণ বাড়িয়েও এখন উচ্চ খরচের কারণে চিন্তিত। এদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর জেলায় ৫ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৮৩ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হলে পেঁয়াজ আমদানির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে এবং দেশ পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবে।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন