মার্চ ১১, ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে উপহার হিসেবে পাঠানো খেজুরের বরাদ্দ নিয়ে কুমিল্লায় সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় জানিয়েছে যে কুমিল্লার জন্য প্রকৃত বরাদ্দ ৫২০ কার্টন নয় বরং ৫০০ কার্টন ছিল।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের নথিপত্র এবং জেলা ত্রাণ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী গত ৮ মার্চ সকালে এই ৫০০ কার্টন খেজুর জেলা ত্রাণ গুদামে গ্রহণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়া তথ্যের বিপরীতে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে সরকারি বরাদ্দপত্রে ৫০০ কার্টন খেজুরেরই উল্লেখ রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান যে গত ১ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ৫ মার্চ স্বাক্ষরিত সংশোধিত বরাদ্দপত্রেও একই সংখ্যার কথা জানানো হয়।
এই বরাদ্দপত্র অনুযায়ী কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার অনুকূলে খেজুরগুলো উপবরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় এই খেজুর বিতরণের কাজ চলছে। এর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে ৫২০ কার্টন বরাদ্দের দাবি ওঠায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।উল্লেখ্য যে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মঙ্গলবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন হিসাব তুলে ধরার সময় ৩৯ কার্টন খেজুর প্রাপ্তির কথা জানান।
এরপর থেকেই বরাদ্দের সংখ্যার গরমিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে কেন্দ্রীয়ভাবে পাওয়া ৫০০ কার্টন খেজুর নিয়ম অনুযায়ী বণ্টন করা হয়েছে এবং এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ কুমিল্লার অনুকূলে দেওয়া হয়নি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের তথ্যে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন