রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ১১, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

বিদ্যুৎ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ

রাজধানী ঢাকা এবং রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দাদের আজ সোমবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ ছাড়াই অতিবাহিত করতে হবে। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এবং নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি বা নেসকো পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্য নিশ্চিত করেছে। মূলত শুষ্ক মৌসুমে এবং আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে। 

ঢাকার শুভাঢ্যা জোনাল অফিসের অধীনে থাকা ঝিলমিল-১ উপকেন্দ্রের হাবিবনগর ফিডারে আজ সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টা কাজ চলবে। এই দীর্ঘ সময়ে হাবিবনগর, শুভাঢ্যা উত্তরপাড়া, বেগুনবাড়ীর আংশিক এলাকা, দারুসসালাম এবং চানমিয়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকার গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পাবেন না।

 এছাড়া দেওয়ানবাড়ী, নোমানিয়া মাদ্রাসা এলাকা, ইকবাল নগর এবং গোলামবাজার মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকাগুলোও এই বিদ্যুৎহীনতার আওতার মধ্যে থাকবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই ফিডারটির বর্তমান লোড ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি হওয়ায় নতুন ফিডার নির্মাণের কাজ চলছে। 

এর ফলে ভবিষ্যতে সিস্টেম লস কমবে এবং গ্রাহকরা আরও স্থিতিশীল ভোল্টেজ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।অন্যদিকে রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকাতেও আজ ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেসকো। সেখানেও সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত ৩৩ কেভি এবং ১১ কেভি লাইনের জরুরি কাজ পরিচালিত হবে। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে লাইনের কাছাকাছি থাকা গাছের শাখা-প্রশাখা কেটে ফেলা হবে যাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

 

রাজশাহীর রাবি স্টেশন ফিডারের আওতাভুক্ত জলিলের মোড়, মেহেরচন্ডি পূর্বপাড়া, খন্দকার মসজিদ এলাকা এবং জিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকার মানুষ এই ভোগান্তির মুখে পড়বেন। এর বাইরে বুধপাড়া, গণির ঢালান এবং মোহনপুর চকপাড়া এলাকার বাসিন্দাদেরও একই সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে হবে। সাময়িক এই সমস্যার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং কাজ শেষ হওয়া মাত্রই দ্রুত সংযোগ সচল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গরমের এই সময়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে বেশ কিছুটা ব্যাঘাত ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকার পাশাপাশি ক্ষুদ্র কলকারখানাগুলোতেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।