মে ২৫, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় ক্ষতিকর ইনজেকশন ও স্টেরয়েড ব্যবহার করে গরুকে কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করেন। এই ধরনের চকচকে ও অস্বাভাবিক মোটা গরু কেনা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এসব মাংস খেলে মানুষের লিভার ও কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
গরু কেনার সময় তাড়াহুড়ো না করে ৩টি সহজ উপায় পরীক্ষা করুন।প্রথমত, গরুর মাংসল অংশে আঙুল দিয়ে জোরে চাপ দিন। স্টেরয়েড বা হরমোন দেওয়া পশুর শরীরে পানি জমে থাকে। যদি চাপ দেওয়া জায়গাটি দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকে এবং আগের অবস্থায় ফিরতে দেরি করে, তবে সেটি ইনজেকশন দেওয়া গরু। সুস্থ পশুর মাংস শক্ত ও সুগঠিত হয়।
দ্বিতীয়ত, পশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করুন।অসুস্থ গরুর আচরণ দেখলেই চেনা যায়। এরা সাধারণত অলস থাকে, মাথা নিচু করে ঝিমায় এবং হাঁটতে গেলে হাঁপিয়ে ওঠে। চোখ ঘোলাটে বা নেশাগ্রস্তের মতো দেখায়। বিপরীত দিকে সুস্থ গরু সবসময় চঞ্চল থাকে এবং মানুষ দেখলে কান ও লেজ নাড়াচাড়া করে সতর্ক হয়।
তৃতীয়ত, শরীরের গঠন ও মুখ দেখুন।ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় এসব পশুর শরীর বেলুনের মতো ফুলে ওঠে এবং মুখ থেকে অনবরত লালা বা ফেনা পড়তে থাকে। রানের অংশ এতটাই ফোলা থাকে যে মনে হবে চামড়া ফেটে যাবে।
কেনার আগে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যবেক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কাউকে সঙ্গে রাখুন। বিশ্বস্ত খামারি বা পরিচিত বিক্রেতার কাছ থেকে পশু কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ।সতর্ক থাকলে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন