জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ দেশের বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খোলা রেখে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড।হঠাৎ পানি বাড়ায় প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদী ডালিয়া ও কাউনিয়া স্টেশনে, সুরমা নদী ছাতক স্টেশনে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা স্টেশনে সতর্কসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি আরও বেড়ে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দুই থেকে তিন দিন এই অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে।
হঠাৎ পানি বৃদ্ধির কারণে নদী-তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ডুবে গেছে এবং ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, আকস্মিক ঢলের কারণে চরের বাসিন্দারা দিশাহারা হয়ে গবাদিপশুসহ নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা চরাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও গ্রামীণ রাস্তাগুলো সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন