অক্টোবর ৭, ২০২৫, ১১:২৮ পিএম
কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমতে শুরু করলেও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে রোপা আমন, শাকসবজি ও মাষকলাইয়ের খেত এখনও পানিতে তলিয়ে আছে। অন্যদিকে, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের অন্তত ১৫টি পয়েন্টে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
এই ভাঙনের কারণে গত দুই দিনে প্রায় শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছে। বসতভিটা হারানো এসব পরিবার এখন দিশেহারা অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৭৮৭ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। জেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, পানি পুরোপুরি সরে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনা হবে।
কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে ভাঙনকবলিত এলাকার ৪টি পয়েন্টে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, অনুমোদন পেলে ভাঙনের শিকার অন্যান্য পয়েন্টেও জরুরি কাজ শুরু করা হবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন