রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্চ ২১, ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম

দিনাজপুরে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

ছবি-দিনাজপুর টিভি

পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অদ্য শনিবার সকাল নয়টায় শুরু হওয়া এই জামাতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গৃহীত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে নামাজ আদায় করেন সাধারণ মানুষ।

বৃহত্তম এই ঈদগাহ ময়দানে জামাতে শরিক হন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তার সাথে নামাজ আদায় করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাধারণ মুসল্লিদের সাথে কাতারবন্দি হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দিনাজপুর জেলার ১৩টি থানার বিভিন্ন ঈদগাহ মাঠেও পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে গোর-এ-শহীদ ময়দানকে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা জামাত শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সদস্যরা মাঠে নিরলস কাজ করেছেন। সফলভাবে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হওয়ায় তিনি উপস্থিত সকল মুসল্লি এবং জেলাবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাঠের ব্যবস্থাপনা এবং মুসল্লিদের সুবিধার্থে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। ওজু, পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও মাঠের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। উৎসবের এই দিনে জেলার কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উপস্থিত মুসল্লিরা জানান, প্রশাসনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা থাকায় তারা স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন।