রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরের হাসপাতাল হবে চোখের চিকিৎসার মডেল: মন্ত্রী

মো: মামুনুর রশিদ

মে ৩, ২০২৬, ০২:২২ পিএম

দিনাজপুরের হাসপাতাল হবে চোখের চিকিৎসার মডেল: মন্ত্রী

ছবি-দিনাজপুর টিভি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন এমপি বলেছেন, দিনাজপুরের গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটালকে একটি মডেল হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দিনাজপুরের মানুষকে যেন উন্নত চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা বিদেশে যেতে না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।

রোববার (৩ মে) সকালে দিনাজপুরের গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটাল পরিদর্শন ও দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের মাঝে অর্থ ও সাদা ছড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য জেলা থেকে রোগীরা যেন এই হাসপাতালে এসে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা নিতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। 

এ ব্যাপারে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবার গুণগত মান বাড়াতে আরও আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। হাসপাতালের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলামের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আই হসপিটালের সাধারণ সম্পাদক ডা. চৌধুরী মোসাদ্দেকুল ইজদানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর সদর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম, এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা পিপিএম এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. এস.কে. সাদেক আলী, সিভিল সার্জন ডা. আসিফ ফেরদৌস এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফজলুর রহমান। এ সময় হাসপাতালের পরিচালনা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং চিকিৎসক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি সাদা ছড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণের পাশাপাশি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করেন। নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মেহেরুল ইসলাম ও ডা. ইলিয়াস আলী এডিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। চিকিৎসাসেবা ও মানবিক কার্যক্রমের সমন্বয়ে এই হাসপাতালটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিণত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।