রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বন্ধ বিরল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

সুবল রায়

জুন ২৯, ২০২৬, ১২:১৭ এএম

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বন্ধ বিরল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ছবি-দিনাজপুর টিভি

করোনা মহামারীর ধকল কেটে যাওয়ার পাশাপাশি ভারতের টুরিস্ট ভিসার সার্বিক কার্যক্রম পুরোপুরি সচল হয়েছে অনেক আগেই। তবে দীর্ঘ সাত বছর অতিক্রম হতে চললেও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট।ফলে উত্তরের ভ্রমণপিপাসু মানুষ ও বিশেষ করে ভারতে উন্নত চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরা প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের তীব্র অভিযোগ, এই স্থলপথটি সচল থাকলে অত্যন্ত কম সময়ে এবং সাশ্রয়ী খরচে ভারতে যাতায়াত করা সম্ভব হতো। কিন্তু ২০২০ সালের ১৩ মার্চ করোনা মহামারীর শুরুতে এই পথ দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে এটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে রয়েছে। ফলশ্রুতিতে দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষকে এখন হিলি, বুড়িমারী কিংবা চিলহাটি হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ওপারে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাতায়াত খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শারীরিক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। অতীতে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন সাধারণ পাসপোর্ট যাত্রী নিয়মিত যাতায়াত করতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্য মিলেছে।

সংশ্লিষ্ট বন্দর ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, এই চেকপোস্টটি দ্রুত সচল করার লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এবং যাবতীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিনের এই অচলাবস্থা নিরসনে কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং উত্তরের সীমান্তবর্তী মানুষের এখন একমাত্র প্রাণের দাবি হচ্ছে স্থলপথটির দ্রুত বাস্তব বাস্তবায়ন। এই পথটি পুনরায় খুলে দেওয়া হলে শুধু সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হবে না, বরং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও নতুন গতি ফিরবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।