আগস্ট ৮, ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
‘সমুখে শান্তি পারাবার—ভাসাও তরণী হে কর্ণধার’ এই প্রতিপাদ্য ও সুরের বাণী ধারণ করে দিনাজপুরে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঁচাশিতম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ দিনাজপুর শাখার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই স্মরণসভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। নানা বয়সের সাংস্কৃতিক কর্মী ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থল এক আবেগঘন ও সৃজনশীল পরিবেশের রূপ নেয়।
দিনাজপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এই স্মরণানুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।সংগঠনের সভাপতি মানস ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী সুমন কান্তি রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেওয়া হয়। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্বরূপ বকশী বাচ্চু। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রদীপ ঘোষের পরিচালনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ফুলবাড়ী সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রফেসর অর্চনা অধিকারী।
বিশাড এই সাহিত্যিক ও কবির মহাপ্রয়াণের পরও তার সৃষ্টিশীল কর্ম কীভাবে আজও মানুষের মনে বেঁচে আছে, তা আলোচকরা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।আলোচনা পর্বে বক্তারা উল্লেখ করেন যে বাঙালির শেকড় অনুসন্ধানে রবীন্দ্র-নজরুলের আদর্শ ও সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মানবিক চেতনায় জাগ্রত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সভাপতির বক্তব্যে মানস ভট্টাচার্য বলেন যে কবিগুরুকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে হলে তার জীবনদর্শন চর্চা এবং ব্যক্তিগত জীবনে তা ধারণ করা আবশ্যক। পরে সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং স্থানীয় শিল্পীদের আবৃত্তি পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।অনুষ্ঠানে জেলা ও অঞ্চলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে কবিগুরুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন