শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূল স্রোতে আনার আহ্বান ইউএনওর

মো: মামুনুর রশিদ

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

দিনাজপুরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূল স্রোতে আনার আহ্বান ইউএনওর

ছবি: দিনাজপুর টিভি নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন শরিফ বলেছেন, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনতে পারলে সরকারি সেবায় তাদের প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি পাবে। দলিত ও সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের মানুষকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ঝানজিরা সমাজকল্যাণ সংস্থা (জেএসকেএস) এর আয়োজনে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের সহযোগিতায় নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিইএফ) এর ইম্পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি বিষয়ক সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। 

জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গোলাম আজম, উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি কর্মকর্তা মো. ফারহান নওরোজ নূর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছা. শারমিন আক্তার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ রায়। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ২নং সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান লিটন, ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. কুসুম, এসইউপিকে’র নির্বাহী পরিচালক মো. মোজাফ্ফর হোসেন, এমবিএসকের মোর্শেদা পারভীন মলি, সাংবাদিক কাশী কুমার দাস, অধিকার কেন্দ্রের সভাপতি হরিদেব, সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার, আদিবাসী নেত্রী অভিলা টুডু। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক হারুন-অর-রশিদ। 

সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, একটি ন্যায় ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ, যেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে দলিত, আদিবাসী নারী ও কন্যা শিশু এবং সামাজিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য গোষ্ঠী সমান অধিকার, মর্যাদা এবং টেকসই জীবিকা ও সুস্থ জীবনের সুযোগ ভোগ করবে এটাই আমাদের স্বপ্ন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেএসকেএস এর কারিগরি বিশেষজ্ঞ মর্জিনা রুপা।