রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বাজেটে আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হলেও বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১২, ২০২৬, ১২:১০ পিএম

বাজেটে আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হলেও বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে জানিয়েছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। শুক্রবার ‍‍`২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া‍‍` শীর্ষক এক সভায় সংস্থাটি এই মূল্যায়ন তুলে ধরে। সেখানে কথা বলেন নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।তবে এই বাজেট বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

প্রশাসনের আধুনিকায়ন, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন। উন্নয়ন বাজেটে থোক বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিন্তু ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না বলে মনে করে সংস্থাটি।ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া বাড়লে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। তাছাড়া স্বচ্ছতা ও সুশাসনের সঙ্গে বিদেশি ঋণ ব্যবহার করা না গেলে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে।

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে হবে। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আরও কিছুদিন অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান না বাড়লে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব হবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও কৃষি খাতে বরাদ্দ কমা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বাড়ছে। করমুক্ত আয়সীমা আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল বলে জানান ফাহমিদা খাতুন।দেশীয় শিল্পের জন্য কর রেয়াত ও আমদানি পর্যায়ে কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে। উৎপাদন বাড়িয়ে কর্মসংস্থান তৈরির এই উদ্যোগকে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।