জুন ১৩, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য সামনে রেখে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে দেশের বাজারে ব্র্যান্ড ও স্তরভেদে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম এক থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।জাতীয় সংসদে এই সংক্রান্ত বাজেট বক্তৃতা পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপনকালে জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্য-ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী নিম্নস্তরের ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা এবং মধ্যম স্তরের দাম ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া উচ্চস্তরের প্যাকেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের মূল্য ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিম্নস্তরের ডার্বি, নেভি বা রয়েল ব্র্যান্ডের প্রতি শলাকার দাম কোম্পানি ভেদে সামান্য বাড়লেও খুচরা বাজারে তা এক টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭ টাকা দাঁড়াতে পারে। মধ্যম স্তরের সিগারেটের প্রতি শলাকার দাম বাজারে ১০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জনপ্রিয় উচ্চস্তরের গোল্ড লিফের প্রতি শলাকার ন্যূনতম মূল্য হবে ১৬ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ড যেমন বেনসন অ্যান্ড হেজেসের প্রতি শলাকার দাম দাঁড়াবে প্রায় ২১ টাকা।
চলতি বছরের এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে ধূমপায়ীদের পকেট থেকে বাড়তি অর্থ খরচ করতে হবে। তবে স্বাস্থ্য রক্ষা ও তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে এই মূল্যবৃদ্ধি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন