শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
শিক্ষায় জাতীয় পুনরুদ্ধার

শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বিগত সরকার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বিগত সরকার

বিগত সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সেই ক্ষতি কাটিয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে গতিশীল করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৮৫০ জন কৃতী শিক্ষার্থীর জন্য এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সংবর্ধনা তাদের পড়াশোনার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষমুখী করতেও এই ধরনের উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলকে চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণদেরই দায়িত্বশীল অবস্থান নিতে হবে।

রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে এগারো দলের লংমার্চ নিয়ে কথা বলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণই বিচার করবে এই পরিস্থিতিতে তাদের এমন কর্মসূচি কতটা যৌক্তিক। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সরকারপ্রধান সংসদে দাঁড়িয়ে স্পষ্টভাবে বলেছেন যে বিগত সরকার জ্বালানি তেল ও গ্যাস খাতকে ধ্বংসের মুখে ফেলে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই খাত পুনরুদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকারের কোনো গাফিলতি থাকলে তবেই তা নিয়ে কথা বলা যেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্য শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা, শুভেচ্ছা স্মারক এবং শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলম সরকারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সংবর্ধনায় অংশ নেন।