রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে নতুন সরকারের বিরাট সিদ্ধান্ত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ২৭, ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে নতুন সরকারের বিরাট সিদ্ধান্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত সহকারী শিক্ষকদের যোগদান ও পদায়নের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জটিলতা অবশেষে কাটতে চলেছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘ পাঁচ can ধরে ঝুলে থাকা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আগামীকাল রবিবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিতব্য এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন।দেশজুড়ে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য এটি একটি বড় সুসংবাদ।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন এক অফিশিয়াল চিঠির মাধ্যমে এই বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়। মূলত সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন এবং বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম নিষ্পত্তি করার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটির প্রথম বৈঠক এটি। 

এর আগে গত ২২ জুন শিক্ষকদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এই বিশেষ জাতীয় কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। আগামীকালের বৈঠকে শিক্ষকদের যোগদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও গভীর পর্যালোচনা করা হবে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তড়িঘড়ি নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা এবং পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় অনিয়মের কিছু অভিযোগ ওঠায় নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখেছে। কয়েক ধাপে গভীরভাবে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি যাচাই-বাছাই করার কারণে নিয়োগ ও পদায়নে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লেগেছে। দীর্ঘ এই প্রশাসনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ায় এখন দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রথম সভাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে সচিব জানিয়েছেন।

চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনীত হন এবং সব প্রক্রিয়া শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্ত তালিকায় নাম আসার পরও দীর্ঘদিন নিয়োগ না হওয়ায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীর রাজপথে আন্দোলনে নেমেছিলেন। রবিবারের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সমস্যার একটি সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী সমাধান আসবে বলে তীব্র আশা প্রকাশ করছেন অপেক্ষমাণ চাকরিপ্রার্থীরা।