জুলাই ১৪, ২০২৬, ১১:১৪ এএম
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চালু রাখার যৌক্তিকতা স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। পরীক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সচল রাখা, যথাসময়ে ফলাফল প্রকাশ, শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার ঠিক রাখা এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার স্বার্থেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে ফলাফল প্রকাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম পিছিয়ে পড়বে। এ ছাড়া, অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থার কারণে একটি অঞ্চলের সংকটের জন্য দেশের সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখা বাস্তবসম্মত নয়।দেশের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান আছে। সোমবার সকালে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে কিছু কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সাময়িক ভোগান্তি হলেও স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েছে।সরকারের কাছে শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের সুপারিশে শুধু ওই বোর্ডের পরীক্ষা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্য কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বা পরীক্ষা গ্রহণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিতের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।বৈরী আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন