অক্টোবর ১১, ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমায় অভিনয়ের কথা থাকলেও শুটিং শুরুর আগেই চলচ্চিত্রটি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা অধরা খান। রোববার (১১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় চলচ্চিত্রটির পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের চরম ঘাটতির অভিযোগ তুলে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানান তিনি।
অনেক আগেই সিনেমাটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
অভিনেত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা না আসায় ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাধ্য হয়েছেন। সিনেমাটি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টি আগে জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট পক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এত দিন বিষয়টি নিয়ে মুখ না খোলার কারণও স্পষ্ট করেছেন অধরা খান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শুটিং প্রক্রিয়া বা সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজে যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সেজন্যই তিনি নীরব ছিলেন। তবে এই নীরবতার কারণে তাঁকে ব্যক্তিগত ও পেশাগত ক্ষেত্রে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।
অধরা দাবি করেন, ‘ভায়োলেন্স’ চলচ্চিত্রের জন্য শিডিউল দিয়ে অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজের সুযোগ হাতছাড়া করতে হয়েছে তাঁকে। চুক্তিগত গোপনীয়তার শর্ত বা নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্টের বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব কাজের বিস্তারিত নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাশাপাশি অন্যান্য নির্ধারিত কাজের সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারায় নিজের কাস্টিং ডিরেক্টর ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির কাছ থেকে সতর্কবার্তা পেতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
শুটিং শুরুর মাত্র এক দিন আগে যোগাযোগ করা হয়।
এ ধরনের সমন্বয়হীনতাকে চূড়ান্ত হতাশাজনক আখ্যা দিয়ে অধরা বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি চলচ্চিত্রটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে এখন পুরো অভিজ্ঞতাকে নিজের কর্মজীবনের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে মনে করছেন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে পেশাদারি, স্পষ্ট যোগাযোগ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সবচেয়ে জরুরি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন