বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬,
ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জনের মৃত্যু

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে এবং গত চব্বিশ ঘণ্টায় এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯৮২ জন রোগী।

নতুন করে এই মৃত্যুর ঘটনায় চলতি বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৯ জনে। একই সাথে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জনে পৌঁছেছে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে নতুন করে ৮১৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং বিভাগটিতে মারা গেছেন ছয়জন।

অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৩১৩ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন, যেখানে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ২১৪ জন এবং এই বিভাগে মারা গেছেন একজন।

রাজশাহী বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১৭ জন এবং এ বিভাগেও ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যান্য বিভাগগুলোতেও রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৯৪ জন, রংপুর বিভাগে ১১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ২৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামগ্রিক পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৬০৫ জন।

বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ছয় হাজার ২০৫ জন ডেঙ্গু রোগী।

চলতি বছর বিভাগভিত্তিক মোট মৃত্যুর পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোসহ মোট ১৯২ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া খুলনা বিভাগে ৭৭ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের। বরিশাল বিভাগে ২৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৮ জন, রংপুর বিভাগে সাতজন এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু রেকর্ড করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।