ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ০৪:১১ পিএম
কিম মিন-সিওক যখন ২০১৬ সালের জুনে ৯০ সেকেন্ডের একটি শিশুদের গানের ভিডিও ক্লিপ প্রকাশের অনুমোদন দেন, তখন তিনি ভাবতেও পারেননি যে তিনি কী বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলতে যাচ্ছেন। সেই ভিডিওটি হলো বেবি শার্ক। এটি ১৬ বিলিয়ন বা ১৬০০ কোটিরও বেশি ভিউ পেয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছে এবং ইউটিউবে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বার দেখা ভিডিওতে পরিণত হয়েছে।
অবিশ্বাস্য রকমের আকর্ষণ সৃষ্টি করা এই গানটি শুধু ছোট বাচ্চাদেরকেই মোহিত করেনি, বরং ভিডিও ক্লিপটির স্রষ্টা পিঙ্কফং-এর জন্য কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের মিডিয়া ব্যবসা গড়ে তোলার ভিত্তিও স্থাপন করেছে।
পিঙ্কফং-এর প্রধান নির্বাহী কিম মিন-সিওক বলেন, "আমরা আশা করিনি যে এটি আমাদের অন্যান্য কনটেন্ট থেকে আলাদা কিছু হয়ে উঠবে।"
নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির মিডিয়া বিশ্লেষক কেভিন চিউ মনে করেন, "বেবি শার্ক, ডু, ডু, ডু, ডু, ডু"—গানটির এই বাক্যাংশটি শিশুদের আকৃষ্ট করে। তিনি বলেন, "এটি একটি কে-পপ গানের মতো। খুব দ্রুতগতির, ছন্দময় এবং আসক্তিকর।" গানের সুরটিতে পুনরাবৃত্তি করে গাওয়ার যে প্রভাব রয়েছে, তা শিশুদের জন্য মনে রাখা সহজ করে।গানটির তালে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের নাচের ভিডিও অনলাইনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্লিপটি দ্রুত ভাইরাল হয়।
কিম বলেন, ২০২০ সালের নভেম্বরে, বেবি শার্ক ক্লিপটি ইউটিউবের সর্বাধিক দেখা ভিডিও হয়ে ওঠে এবং ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের প্রায় অর্ধেকটা আসে এই কনটেন্ট থেকে।বর্তমানে টোকিও, সাংহাই ও লস অ্যাঞ্জেলেসে অফিসসহ পিঙ্কফং কোম্পানিটিতে প্রায় ৩৪০ জন কর্মচারী রয়েছেন। কোম্পানিটি কনটেন্টের ক্ষেত্রে সহজ, শিক্ষামূলক গেম ও বিষয়বস্তুকে অগ্রাধিকার দেয়। ২০২২ সাল থেকে ফার্মটি 'পিঙ্কফং' নামে পরিচিতি পায়, এই নামকরণ তাদের তৈরি প্রথম দিককার কার্টুনে দেখা একটি প্রফুল্ল ও কৌতূহলী শিয়াল চরিত্র থেকে অনুপ্রাণিত।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন