জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:২২ পিএম
ইরানে চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীতি বিরোধী বিক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর ১০৯ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে যে মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশে সবচেয়ে বেশি রক্তক্ষয় হয়েছে যেখানে অন্তত ৩০ জন নিরাপত্তা কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মসজিদে অগ্নিসংযোগ ও ত্রাণ ভবনে হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে।গত কয়েক বছরের মধ্যে ইরানে এটিই সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অভিযান শুরু করলে দুই পক্ষই ব্যাপক সহিংসতার মুখোমুখি হয়। ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে দাঙ্গা ধীরে ধীরে কমে আসছে কিন্তু সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন।
এই অস্থিরতার সাথে জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে দেশটির অনেক সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অসন্তুষ্ট হলেও তারা এমন চরম সহিংসতার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সরাসরি এই দাঙ্গার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন যে বিদেশি শত্রুরা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উসকানি দিচ্ছে। তিনি জনগণকে দাঙ্গাবাজদের থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান এবং ঘোষণা দেন যে দেশের ওপর কোনো বিদেশি হামলা হলে তার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। বর্তমানে পুরো দেশজুড়ে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন