অক্টোবর ৯, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় অর্থাৎ যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত পাক্ষিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত পানিসম্পদ বণ্টন ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে এ অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, নদী ও পানিসম্পদ সংক্রান্ত যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বিষয় যৌথ নদী কমিশনের নির্ধারিত কাঠামোর ভেতরেই চূড়ান্ত হয়। সংশ্লিষ্ট আলোচনায় উভয় পক্ষের অমীমাংসিত কারিগরি দিকগুলো সেখানেই পারস্পরিক পর্যালোচনায় স্থান পেয়ে থাকে।
এদিকে প্রায় তিন বছরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সংক্রান্ত যৌথ কার্যনির্বাহী দলের বৈঠক। যুগ্ম সচিব পর্যায়ের এই বৈঠকে দুই প্রতিবেশী দেশের সার্বিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিকল্পনা, বিদ্যমান শুল্ক ও অশুল্ক বাধা অপসারণ এবং স্থলবন্দরগুলোতে সীমান্ত বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা দ্রুত ঘনিয়ে আসছে। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই একটি সম্মানজনক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে পৌঁছাতে উভয় দেশের কূটনৈতিক এবং কারিগরি পর্যায়ে নানা ধরনের সমন্বয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মাঝেই বাণিজ্য সংক্রান্ত যৌথ কার্যনির্বাহী দলের আলোচনা নতুন করে সচল হওয়াকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকেরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন