শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬,

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগে ককরোচ প্রধানের বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অক্টোবর ১০, ২০২৬, ১০:২১ এএম

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগে ককরোচ প্রধানের বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ার আগে এক স্পষ্ট বার্তায় শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি জুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।

মুম্বাই থেকে রাজধানীতে পৌঁছানোর আগে দেওয়া এক বার্তায় দীপকে জানান, সেখানে পা রাখার পর তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তবে আইনি বা প্রশাসনিক যে বাধাই আসুক না কেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা পিছু হটবেন না। একই সঙ্গে সর্বস্তরের মানুষকে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশাসনের পদক্ষেপের তোয়াক্কা না করার কথা জানিয়ে দীপকে বলেন, "আমাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হলেও আমি ভয় পাই না। সরকার চাইলে আমার বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কিংবা বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগ করতে পারে। আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট—সিজেপি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। আর তা নিশ্চিত করতে হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল অথবা নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য নিরপেক্ষ পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন।"

আন্দোলনটিকে ভারতের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে আখ্যা দেন এই রাজনৈতিক নেতা। কর্মসূচি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার বক্তব্যসংবলিত পোস্টটি ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। ওই ঘটনার একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি একে অনভিপ্রেত হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে ইনস্টাগ্রামে তার বক্তব্যটি প্রকাশ্যে ছিল।

সমর্থকদের প্রতি কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান সিজেপি প্রধান। তিনি স্পষ্ট করেন, নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। দলটির আরেক প্রভাবশালী নেতা আশুতোষ রানকা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, যা-ই ঘটুক না কেন, তারা ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছেন।

প্রস্তাবিত এই জমায়েতকে ঘিরে দিল্লির কেন্দ্রস্থলে কড়া নজরদারি বসিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের চলাফেরার ওপর একাধিক বিধিনিষেধ জারি করার পাশাপাশি স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলোকে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় রাখা হয়েছে।