জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নবম জাতীয় পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি (বুধবার) চূড়ান্ত সভা করতে যাচ্ছে পে-কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ওই দিনই নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পে-কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সভায় সুপারিশ চূড়ান্তকরণের জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
পে-কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, কমিশনের হাতে সময় খুবই কম। তাই দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।
২১ জানুয়ারি শেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানেই পে-স্কেলের যাবতীয় বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। তবে এর আগে প্রয়োজনে আরও একটি পূর্ণ কমিশনের সভা হতে পারে।
বেতন অনুপাত ১:৮ চূড়ান্ত কমিশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, নবম পে-স্কেলে বেতনের অনুপাত ১:৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, সর্বনিম্ন গ্রেডের (২০তম গ্রেড) কর্মচারীর মূল বেতন যদি ১ টাকা হয়, তবে সর্বোচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তার মূল বেতন হবে ৮ টাকা। উদাহরণস্বরূপ, সর্বনিম্ন বেতন ১০০ টাকা হলে সর্বোচ্চ বেতন হবে ৮০০ টাকা। এই অনুপাতটি বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।সর্বনিম্ন বেতনের ৩টি প্রস্তাব সর্বনিম্ন স্তরের সরকারি কর্মচারীদের বেতন কত হবে, তা নিয়ে কমিশনের কাছে তিনটি ভিন্ন প্রস্তাব এসেছে। এগুলো হলো: ১. ২১ হাজার টাকা ২. ১৭ হাজার টাকা ৩. ১৬ হাজার টাকা
এই তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে যেকোনো একটি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় ২১ হাজার টাকার প্রস্তাবটিই কর্মচারীদের প্রধান দাবি।অন্যান্য ভাতা ও সর্বোচ্চ স্কেল সর্বোচ্চ বেতনের স্কেল এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কারণ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত এবং টিফিন ভাতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। পে-কমিশন এই বিষয়গুলো সমন্বয় করে ২১ তারিখের সভায় পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দাঁড় করাবে।নতুন এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং জীবনমানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সবার দৃষ্টি ২১ জানুয়ারির চূড়ান্ত সভার দিকে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন