সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আবু সাঈদ হত্যা: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে হাসনাত আবদুল্লাহ উপস্থিত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১১:০৬ এএম

আবু সাঈদ হত্যা: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে হাসনাত আবদুল্লাহ উপস্থিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া দশটার দিকে ট্রাইব্যুনালে এসে পৌঁছান তিনি, যিনি জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি আজ এই মামলার ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি পেশ করবেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এর আগে গত ২৭ নভেম্বর মামলার ১৮তম দিনের মতো ২১ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ করেছিল।

এরপর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল মোট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয়। এই ৩০ জন আসামির মধ্যে বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৬ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। পলাতকদের পক্ষে গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, এই মামলায় ছয়জন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন, যাদের মধ্যে আছেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। আজ তাদের উপস্থিতিতেই প্রসিকিউশন পক্ষ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত চারজন আইনজীবী শুনানি করেন, যেখানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুনুর রশীদ এবং অন্যদের পক্ষে আইনজীবী সুজাত মিয়াসহ আরও কয়েকজন অংশ নেন। গত ২৯ জুলাই তিন আসামির (শরিফুল, কনস্টেবল সুজন, ইমরান) পক্ষে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং তাদের আইনজীবীরা তাদের অব্যাহতি চেয়েছিলেন। গত ২৮ জুলাই চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করেন।