রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ

ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ

জুলাই বিপ্লবে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই মামলার প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। 

প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই দুই আসামির আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

সেই দিনই ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিনটি ধার্য করেছিলেন। এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে জুলাই মাসের আন্দোলনে সংঘটিত নৃশংসতার বিচার প্রক্রিয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

আসামিদের উপস্থিতিতেই আজ আদালতের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম মামলার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, আসামিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের অকাট্য প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে। এই মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে তাদের জবানবন্দি দেবেন। সাক্ষীদের মৌখিক বক্তব্যের পাশাপাশি অপরাধের ভিডিও ফুটেজ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং ফরেনসিক রিপোর্ট আদালতে উপস্থাপন করা হবে। প্রসিকিউশন পক্ষ আশাবাদী যে, উপস্থাপিত প্রমাণের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হবে।

গত ১২ জানুয়ারি সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই তাদের বিচার শুরুর আনুষ্ঠানিক আদেশ দেওয়া হয় এবং পরবর্তী ধাপ হিসেবে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসিকিউশন যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। আজকের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার মূল বিচারিক কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পথে বড় একটি অগ্রগতি।