রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের ঠিকানায় পৌঁছাবে অটো নোটিশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ৩, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের ঠিকানায় পৌঁছাবে অটো নোটিশ

অটো নোটিশ কার্যক্রম

রাজধানী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে অটো জেনারেটেড নোটিশ পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালক বা মালিকের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে জরিমানার নোটিশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই জরিমানা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রমও শুরু হচ্ছে।

রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যানজট নিরসন এবং উন্নত নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটেনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী চালকদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে উপস্থিত হয়ে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জরিমানা পরিশোধ করতে পারছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মালিক ও চালকরা যদি নোটিশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে হাজির না হন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে এই পরোয়ানা বাস্তবায়নের কার্যক্রম ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধের নামে কোনো আর্থিক প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে নগরবাসীকে পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি। কোনো অসাধু চক্র ভিডিও মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি করলে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পটে এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং অবৈধ পার্কিংয়ের মতো অপরাধগুলো শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।