রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

অর্থপাচার মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের চার্জ শুনানি ২৩ জুলাই

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ১, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম

অর্থপাচার মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের চার্জ শুনানি ২৩ জুলাই

বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির আড়ালে প্রায় সাড়ে ২৮ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২৩ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালত আজ এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে আজ বুধবার মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারিত থাকলেও আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আরিফুল ইসলাম এই আইনি তথ্য নিশ্চিত করেছেন।শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম চার্জ শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন জানালে বিচারক তা গ্রহণ করে নতুন এই দিন নির্ধারণ করেন। এই মামলার অন্য অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান, অটাম লুপ ও পিয়ারলেস গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিউর রহমান, পরিচালক রেজিয়া আক্তার, আরআর গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং আহমেদ শাহরিয়ার রহমান। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সি.আই.ডি.-র দীর্ঘ অনুসন্ধানে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে।

সি.আই.ডি.-র ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্তে জানা গেছে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে এই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। অটাম লুপ অ্যাপারেলসের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানি করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে ফিরিয়ে আনা হয়নি। তদন্তে আরও দেখা যায়, এই পণ্যগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এর ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল, যার মালিকানায় রয়েছেন মূল অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা।

পরিকল্পিতভাবে একই পরিবারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রপ্তানির নামে এই অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে সি.আই.ডি.-র অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সি.আই.ডি.-র ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করেন সি.আই.ডি.-র ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছায়েদুর রহমান।