ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১১:২১ এএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবেন।
সাধারণ মানুষের অনেকের ধারণা, তপশিল মানে বুঝি শুধুই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা। কিন্তু সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে তপশিল ঘোষণা করে, তা কেবল ভোটের দিনক্ষণ নয়; বরং এটি পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি বিস্তারিত আইনি সময়সূচি ও কর্মপরিকল্পনা।
তপশিলে মূলত কী কী থাকে? নির্বাচন আয়োজনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের নির্দিষ্ট সময়সীমা তপশিলে উল্লেখ থাকে। এর প্রধান অংশগুলো হলো:
-
মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা কবে থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন, তার স্পষ্ট তারিখ তপশিলে উল্লেখ থাকে।
-
-
বাছাই ও আপিল: নির্দিষ্ট কত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবে এবং কারো মনোনয়ন বাতিল হলে তিনি কোন সময়সীমার মধ্যে আপিল করতে পারবেন—তা বিস্তারিতভাবে নির্ধারিত থাকে।
-
প্রচারণার সময়সীমা: প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা কবে প্রকাশ হবে, কবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং কবে থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন—সেসব তথ্য তপশিলে থাকে। সাধারণত প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রচারণার তারিখ শুরু হয়।
-
ভোটগ্রহণ ও গণনা: ভোটের মূল তারিখ, ভোটগ্রহণ শুরুর ও শেষ হওয়ার সময় এবং ভোট শেষে গণনা প্রক্রিয়া কোথায় ও কীভাবে হবে—এসব কিছুই তপশিলের অন্তর্ভুক্ত।
অর্থাৎ, মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ভোটের ফলাফল গণনা পর্যন্ত পুরো কার্যক্রমের সমষ্টিকেই নির্বাচনের তপশিল বলা হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন