জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকেই এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
রোববার কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
যৌথবাহিনীর অভিযানের ৩টি মূল লক্ষ্য: ইসি সানাউল্লাহ স্পষ্ট করেন যে, এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য তিনটি: ১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ করা এবং বিদ্যমান অস্ত্র উদ্ধার করা।
যা উদ্ধার সম্ভব নয়, তা যেন অপকর্মে ব্যবহৃত হতে না পারে তা নিশ্চিত করা। ২. সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার: চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা। ৩. আচরণবিধি রক্ষা: নির্বাচনকেন্দ্রিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। তবে ছোটখাটো বিষয়গুলো রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো তদারকি করবে।তিনি উল্লেখ করেন সব বাহিনী প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ইতিমধ্যে বৈঠক হয়েছে এবং সব হেডকোয়ার্টার এ বিষয়ে অবগত রয়েছে।
কক্সবাজারের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি বলেন,রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগর পথে নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে দুষ্কৃতিকারীরা এসব পথ ব্যবহার করে কোনো অপরাধ সংঘটনের সুযোগ না পায়।
মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল ও সে সময় সরকারি কর্মকর্তাদের হাততালি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন,বিষয়টি সঠিক নয়।তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, প্রার্থীর আইনজীবী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজ জমা দেওয়ার জন্য সময় চাইতে পারতেন, কিন্তু তা করেননি। তবে ওই প্রার্থীর এখনো আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাসসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন