জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
সারা দেশে ছয় হাজার ৭৪৮টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব কেন্দ্রে পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার, যাতায়াত ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং থানা থেকে দূরত্বের বিষয়গুলোকে আমলে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর ছায়া এড়িয়ে এবার একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ।
বিশেষ করে ঢাকার ১৩ জেলায় দুই হাজার ১১৫টি এবং চট্টগ্রামে ৮১৩টি কেন্দ্র এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। ডিএমপি এলাকার মতিঝিল, বাড্ডা, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৮৫৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আইজিপি বাহারুল আলম জানিয়েছেন, এসব কেন্দ্রে বরাবরের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পেশিশক্তি মোকাবিলায় পুলিশ একাই নয় বরং সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও কোস্ট গার্ডের সমন্বিত সহায়তা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পুলিশ সদর দপ্তর। এর ফলে ভোটের দিন কোনো ধরনের কারচুপি বা অনিয়ম হলে তা সরাসরি রেকর্ড করা সম্ভব হবে।নির্বাচনের আগে গুজব ছড়ানো বন্ধ করতে সাইবার টিমকে সক্রিয় করা হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে জুলাই বিপ্লবের সময় খোয়া যাওয়া এক হাজার ৩৪০টি অস্ত্র উদ্ধারে সারা দেশে অভিযান জোরদার করেছে বাহিনীটি। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশ সুপাররা নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে রাজনৈতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটের মাঠে যারাই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন