রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

শপথের প্রস্তুতি শুরু

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় নতুন সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচন পরবর্তী এই সময়ে সবার চোখ এখন নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের দিকে। এই মাহেন্দ্রক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান যে দেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

আসলে এটি একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া যা যেকোনো নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে অপরিহার্য। যদিও বর্তমান রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত কিন্তু সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তিনিই এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও স্পষ্ট করেছেন যে নতুন এই মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এখন কেবল নির্ধারিত সময়ের অপেক্ষা। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়াটি বেশ দ্রুত গতিতেই এগোচ্ছে। 

সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত হতে যাওয়া এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য দেশি বিদেশি অতিথি এবং কূটনীতিকসহ কমবেশি এক হাজার ব্যক্তিকে দাওয়াত দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনিকভাবে এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমেই নতুন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ পরিচালনার ভার গ্রহণ করবে। 

নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পর থেকে সচিবালয় এবং বঙ্গভবনের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। সচিব আরও জানিয়েছেন যে নিয়মানুযায়ী যদি খুব স্বল্প সময়ের নোটিশেও শপথ অনুষ্ঠানের নির্দেশ আসে তবে সেটি সফলভাবে সম্পন্ন করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা ও প্রস্তুতি তাদের রয়েছে। এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী দলটির পক্ষ থেকে কারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে যাচ্ছেন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল কাজ করছে। 

তবে সেই তালিকায় কাদের নাম থাকছে সেটি শপথ গ্রহণের আগ পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনীয়তা ও সতর্কতার সঙ্গে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই শপথ সম্পন্ন হওয়া রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক। এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে যা দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।