ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের স্মরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের এই মূল কেন্দ্রবিন্দুটিকে ইতোমধ্যে বর্ণিল সাজে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের তুলির আঁচড়ে শহীদ মিনার বেদী এবং চারপাশের সড়কগুলো আলপনার রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে।
রাতে লাখো মানুষের ঢল নামার আগে রংয়ের কারিগররা তাদের নিপুণ দক্ষতায় এই প্রাঙ্গণকে নতুন রূপ দিয়েছেন।শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে শুরু করে সংলগ্ন রাস্তাগুলোতে বিস্তৃত আলপনা আঁকা হয়েছে। শিল্পীদের হাতের রেখায় ফুটে উঠেছে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণের বার্তা।
শুধু আলপনা নয়, শহীদ মিনার এলাকার চারপাশের দেয়ালগুলোতেও বায়ান্নর উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতি এবং বাংলা বর্ণমালার মিছিল রংতুলির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। আলপনা আঁকার বিষয়ে চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী বিবেক কুমার জানান,
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো কাজ সম্পন্ন হবে বলে তারা আশাবাদী।রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহর অর্থাৎ রাত বারোটা এক মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী মাঠে কাজ করছেন। এছাড়া সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এই এলাকার ট্রাফিক রুটেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সব প্রস্তুতি শেষে ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণ এখন কেবল ফুলেল শ্রদ্ধা গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন