রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ড. খলিলুর রহমান ও রাষ্ট্রদূতগণ

নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীন, ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতরা। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এসব বৈঠকে রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রদূতরা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করেছেন।চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রতি চীনের জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেন। 

তিনি জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চীনের আরও সক্রিয় সম্পৃক্ততা কামনা করেন। 

এ সময় রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ড. খলিলুর রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য তার সরকারের প্রস্তুতির কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি ভবিষ্যৎমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখতে উভয় পক্ষ নিয়মিত ও গঠনমূলক আলোচনার বিষয়ে একমত হয়েছে। রাষ্ট্রদূত ভার্মা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পক্ষ থেকে ড. খলিলুর রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এদিকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে তার দেশের গভীর আগ্রহের কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানান, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জনগণের কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। রাষ্ট্রদূতরা এদিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রভাবশালী তিন প্রতিবেশী দেশের এমন সক্রিয় অবস্থান বাংলাদেশের আগামীর পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সংকেত বহন করে।