রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী ও চীনা দূত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। 

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বৈঠকে নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীনের সব ধরণের সহযোগিতা ও সমর্থন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এর আগে রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সাক্ষাতের পর চীনা রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের আশাবাদের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, চীন বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে আগ্রহী। আলোচনায় অন্যতম গুরুত্ব পেয়েছে বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ। 

যদিও বাংলাদেশের নতুন সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমে খুব স্পষ্ট কিছু বলেননি, তবে চীন এই প্রকল্প বাস্তবায়নে নিজেদের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। ওই বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জানান যে, তাঁর দেশ এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সামগ্রিক উপকারের জন্য কাজ করছে এবং উন্নয়ন কাজে যেকোনো তৃতীয় পক্ষের অযাচিত হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে।সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অনুষ্ঠিত আজকের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। 

চীন বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্তমান প্রশাসনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। বেইজিং মনে করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে। কূটনৈতিক মহলে এই সাক্ষাৎকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রতি একটি বড় আন্তর্জাতিক শক্তির জোরালো সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।