ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিস্তারিত রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী নির্বাচন এবং আর্থিক সহায়তার পরিমাণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
তিনি জানান যে আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৪টি উপজেলায় এই কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের সকল বাসিন্দাকে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
এই কার্ডধারী প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
পাইলট প্রকল্পের এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সুবিধা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মাধ্যমে দেশের একটি বড় অংশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার সরাসরি রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার আওতায় আসবে।ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি তবে প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের অনুলিপি থাকতে হবে।
এর পাশাপাশি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে যার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হবে। সরকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ডেটাবেস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে যাতে প্রকৃত অভাবী মানুষরাই এই সুবিধার আওতায় আসে এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন