মার্চ ৭, ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণার সময়সূচি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। শনিবার নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই নির্বাচনী প্রচারণা চলবে টানা ২৩ দিন পর্যন্ত। প্রার্থীরা এই সময়ের মধ্যে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।
শেরপুর-৩ আসনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানায়, এই আসনে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. আমিনুল ইসলাম।
ইতোমধ্যে এই আসনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বাছাইয়ে বাদ পড়া বা সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের আপিল আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। আপিল নিষ্পত্তি শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই শুরু হবে কাঙ্ক্ষিত প্রতীক বরাদ্দের কাজ।উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল।
সেই স্থগিত হওয়া আসনে পুনরায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যেই নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে কমিশন। একই সাথে বগুড়া-৬ আসনেও উপ-নির্বাচনের কার্যক্রম সমান্তরালভাবে চলমান রয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আচরণবিধি কঠোরভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তারা আশা করছেন, দীর্ঘ বিরতির পর এই উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিযোগিতা হবে এবং ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যাবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন