মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

ই-হেলথ কার্ড পাচ্ছে জনগণ, শুরুতে ৫ জেলায় সেবা চালু

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৩:২২ পিএম

ই-হেলথ কার্ড পাচ্ছে জনগণ, শুরুতে ৫ জেলায় সেবা চালু

আসছে ই-হেলথ কার্ড

দেশের সাধারণ জনগণকে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির অধীনে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের করা এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি বড় ধরনের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটবে।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ১৮০ দিনের কর্মসূচির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জনগণকে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

এই সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্ড বিতরণের কাজ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে দেশের পাঁচটি জেলাকে এই সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো— খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ এবং নরসিংদী। 

এই জেলাগুলোর বাসিন্দারা শুরুর দিকে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা কার্ডের সুবিধা ভোগ করবেন।ই-হেলথ কার্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই কার্ডটি ইলেকট্রনিক রোগী ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকবে। এর ফলে একজন রোগীর আগের সব চিকিৎসার ইতিহাস, রোগ নির্ণয় এবং ঔষধের বিবরণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষিত থাকবে। এতে করে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে চিকিৎসাসেবা নেওয়া সহজতর হবে এবং চিকিৎসকরাও দ্রুত নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। সরকার ধাপে ধাপে সারা দেশের মানুষের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এদিকে স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়েও সংসদে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষকদের শিক্ষাদানের দক্ষতা ও মান বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভিত মজবুত করার পরিকল্পনাও সরকার বাস্তবায়ন করছে বলে তিনি অধিবেশনে উল্লেখ করেন। মূলত ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও আধুনিক শিক্ষা— এই দুই খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েই সরকার তার বর্তমান লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।