রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা ও কূটনীতিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জাতীয় ডেস্ক

মে ১২, ২০২৬, ১০:৪২ এএম

জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা ও কূটনীতিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রদূত।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, বহুপাক্ষিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি নিজেদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (১১ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন সফরকালে যুক্তরাষ্ট্র আর্মি ওয়ার কলেজের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এই অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করেই জাতিসংঘের সঙ্গে দেশের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বৃহৎ অংশগ্রহণকারী দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ ও অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং অঞ্চলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা তাদের পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত প্রতিনিধিদলকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি বিশেষ করে শান্তিরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনকে আরও সুসংহত ও প্রসারিত করতে স্থায়ী মিশন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য সংলাপ, সমঝোতা এবং ঐক্যমত্যভিত্তিক উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় বহুপাক্ষিক কূটনীতিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদল মিশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ সময় মিশনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের সফর ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতার বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও উজ্জ্বল হবে।