জুন ৭, ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে লোডশেডিং বলা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট থাকে।
চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, জ্বালানি ঘাটতি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন কোনো বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। ঝড়-বৃষ্টি, গাছ পড়ে লাইন ছিঁড়ে যাওয়া কিংবা সঞ্চালন লাইনের ত্রুটির কারণে সাময়িক বিভ্রাট হতে পারে, তবে তা লোডশেডিং নয়।
এর আগে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম ও যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ গোলাম রসুল গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং এবং শিল্পাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে জানতে চান।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। ৩২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন, যার উৎপাদন ক্ষমতা ৭ হাজার ৯২৮ মেগাওয়াট। আরও ১৫টি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
বিদ্যুৎমন্ত্রী আরও বলেন, তাপমাত্রা বাড়ার ফলে চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও তা মোকাবিলায় পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন নিশ্চিত করতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতিজনিত কারণে বর্তমানে কোনো লোডশেডিং প্রয়োজন হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন