রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কখনো বিশ্বাসই করতে পারিনি যে প্রধানমন্ত্রী আমার চিঠি পড়বেন:অনুশ্রী

জাতীয় ডেস্ক

আগস্ট ৬, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

কখনো বিশ্বাসই করতে পারিনি যে প্রধানমন্ত্রী আমার চিঠি পড়বেন:অনুশ্রী

গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদানের অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ চিঠির মাধ্যমে সংগীতচর্চার জন্য হারমোনিয়াম ও সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল রংপুরের গঙ্গাচড়ার ক্ষুদে শিল্পী অনুশ্রী রায়। সেই চিঠির সূত্র ধরে অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেল জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকে দেশের গানে প্রথম স্থান অর্জনকারী এই শিশুশিল্পী। 

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সশরীরে সাক্ষাৎ করে অনুশ্রী তার আজীবনের স্বপ্ন পূরণ করেছে।বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী তার সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন এবং চিঠিতে চাওয়া সেই হারমোনিয়ামটি উপহার হিসেবে তার হাতে তুলে দেন।সাক্ষাৎকালে ক্ষুদে শিল্পী অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান শুনিয়ে মুগ্ধ করে। প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিভার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে উৎসাহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই স্নেহে অনুশ্রী ও তার পরিবার গভীর আনন্দ প্রকাশ করেছেন। 

অনুশ্রী জানায় যে সে কখনো বিশ্বাসই করতে পারেনি যে প্রধানমন্ত্রী নিজে তার চিঠি পড়বেন এবং তাকে সচিবালয়ে ডেকে পাঠাবেন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে হারমোনিয়াম কেনার সামর্থ্য না থাকায় সে বাধ্য হয়ে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এক কর্মকর্তার হাতে চিঠিটি পৌঁছে দিয়েছিল।প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন পেয়ে তাদের বিশ্বাসের সীমা ছিল না বলে অনুশ্রীর বাবা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান। বিভিন্ন সময় মেয়ের কাছে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক কাজের গল্প করায় অনুশ্রীর মনে গভীর বিশ্বাস জন্ম নিয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রী মানুষের ডাকে সাড়া দেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা ও উপহার পাওয়ার পর তাদের পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই অনুপ্রেরণা অনুশ্রীকে ভবিষ্যতে দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত সংগীতশিল্পী হয়ে উঠতে সাহায্য করবে বলে তার পরিবার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।এদিকে একই দিনে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাবিউল ইসলাম রাকিব নামের এক তরুণ নিরাপত্তাকর্মী। রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় একটি বেসরকারি ভবনে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত রাকিব ছোটবেলা থেকেই প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের ভক্ত ছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছিলেন। সাক্ষাতের সময় তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নুরুল্লাহপুর শিকদারবাড়ি এলাকার পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। নদী পারাপারে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।