বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পে একনেকের চূড়ান্ত অনুমোদন

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম

ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পে একনেকের চূড়ান্ত অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত

দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই আধুনিক পরিবহন উদ্যোগটি পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে আরও বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের অর্থায়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও জয়দেবপুরের মধ্যে চলবে এই ট্রেন। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে নির্মিতব্য এই আধুনিক ইলেকট্রিক ট্রেন রুটটি আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক করিডোরে প্রতিদিন যাতায়াতকারী লাখ লাখ যাত্রী দ্রুত ও কম খরচে আধুনিক যাতায়াত সুবিধা পাবেন। এই ট্রেনের পাশাপাশি ঢাকার যানজট নিরসন ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে একই সভায় তিনটি পৃথক মেট্রোরেল প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মেট্রোরেল লাইন-১, লাইন-৫ নর্দান রুট এবং সম্পূর্ণ নতুন লাইন-৫ সাউদার্ন রুট। পরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদিত তিনটি স্বতন্ত্র মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বমোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। বিশাল এই বাজেটের বড় একটি অংশ বিদেশি ঋণ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার অর্থায়নে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন কাঠামো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা বা জাইকার অর্থায়নে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পাতাল মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন-১ এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব পাস হয়েছে। একই সাথে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ আর্থিক সহযোগিতায় গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটিও বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সবুজ সংকেত লাভ করেছে।