বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
ছুটি ও কর্মদিবস

২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটি কারা পাবেন

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটি কারা পাবেন

ছবি: দিনাজপুর টিভি গ্রাফিক্স

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সারাদেশে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দিনটি সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্যই সাধারণ ছুটি নয়। ব্যাংক ও বিমাসহ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো যথারীতি খোলা থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ধর্মীয় এই উপলক্ষকে কেন্দ্র করে বুধবার দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর ফলে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা এদিন ছুটির আওতায় থাকবেন।

সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে না। তাদের জন্য দিনটি থাকবে নিয়মিত কর্মদিবস। তবে বিধিমোতাবেক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে মুসলিম পর্বের এই দিনে কেউ চাইলে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। বেসরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা ও করপোরেট কার্যালয়গুলোতেও সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো সাধারণ ছুটি পাচ্ছেন না।

ইসলামি পরিভাষায় ইয়াজদাহম শব্দের অর্থ এগারো এবং ফাতেহা শব্দের অর্থ দোয়া করা বা পাঠ করা। ইসলামের সুফি ভাবধারার অন্যতম সাধক ও প্রচারক বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহির ওফাত দিবস স্মরণে মুসলিম সমাজে বিশেষ দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজন পরিচালিত হয়, যা ঐতিহাসিকভাবে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম নামে পরিচিত। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং শতাব্দীকাল ধরে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করে আসছেন।

সরকারি বাৎসরিক কার্যতালিকা ও ক্যালেন্ডারে দিনটিকে মুসলিম পর্বের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষা সংক্রান্ত উভয় মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাপঞ্জিতে দিনটিতে সুস্পষ্টভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করায় সব শ্রেণির প্রাতিষ্ঠানিক পাঠদান স্থগিত থাকবে। ফলে শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ ছুটির সুবিধা পেলেও সাধারণ চাকরিজীবী ও করপোরেট কর্মীদের নিয়মিত কর্মদিবসের মতোই দায়িত্ব পালন করতে হবে।